মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব

 

অম্বিকাচরণ মজুমদার (সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ)

 

 

হাজী শরিয়তুল্লাহ

 

 

 

ইউসুফ আলী চৌধুরী (রাজনীতিবিদ)

 

হুমায়ুন কবির (শিক্ষাবিদ )

 

বিচারপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিমঃ

 

 

 

পল্লী কবি জসীম উদদীনঃ

পল্লী উদদীন ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার সদর উপজেলার তাম্বুলখানা গ্রামেনানাবাড়ীতে এক সম্ভ্রামত্ম মুসলিম পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। ঔপনিবেশিকশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও তিনি বাংলার পল্লী প্রকৃতির রূপমাধুর্য, সহজ সরলমানুষের জীবন ধারণ তাঁর কাব্য সাহিত্যের উপজীব্য হিসেবে নেন। যে মাটি থেকেউস্থিত তিনি, যে মানুষেরা এই মাটির আদরে লালিত, যারা তথাকথিত ভদ্রলোকসমাজের বিবেচনা থেকে বঞ্চিত ও নাগরিকতা থেকে নির্বাসিত তাদের তিনি আপন করেনিলেন চিরকালেল মত। তাদের নিয়েই তিনি যাপন করলেন তার শিল্প জীবন। বাংলারপ্রধানতঃ পল্লী অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে বিশাল মুসলমান সম্প্রদায়, কৃষি যাদেরপ্রধান উপজীবিকা, তাদের মধ্যেই জসীম উদদীনের আবির্ভাব। জসীম উদদীনের বাল্য, কৈশোর ও যৌবনের অনেকটাই কেটেছে এ পল্লীতে, সেখানকার মাঠে-ঘাটে, নদীতীরেবালু চরে সাধারণ মানুষের মধ্যে। জন্মসূত্রে পল্লীর সাথে তাঁর এই নিবিড়সম্পর্কের কারণেই তার সাহিত্য কাব্যে প্রতিফলিত হয়েছে পল্লী প্রকৃতি। তিনিহয়েছে মাটি ও মানুষের কবি পল্লীকবি। মহান এ কবি ১৪ মার্চ ১৯৭৬ সালেমৃত্যুবরণ করেন।

 

 

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফঃ

মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী স্বাধীনতার সূর্য সমত্মান বীরশ্রেষ্ঠ শহীদল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ ১৯৪৩ সালের ১লা যে ফরিদপুর জেলার মধুখালীউপজেলার সালামতপুর (রউফনরগ) গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৩ সনের ০৮ মেতারিখ তৎকালীন হস্ট পাকিসত্মান রাইফেলস বাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগ দেন।১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তিনি চট্রগ্রামের ই.পি.আর-এ ১১ নং উইং এ কর্মরত ছিলেন।যুদ্ধ শুরু হলে তার উইং এ কর্মরত সকল সৈনিক ৮ মে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টেযোগ দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। ০৮ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখেশক্রপক্ষে ২য় কমান্ডে ব্যাটালিয়নের ন্যূনপক্ষে ১টি কোম্পানী লঞ্চ ওস্পীডবোটে করে প্রতিরক্ষা এলাকায় ঢুকে পড়ে এবং অতর্কিতে মুক্তিবাহিনীরলোকদের উপর আক্রমন চালালে প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত সকল লোক বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়।একমাত্র শহীদ ল্যান্স লায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ নিজের মেশিনগান দিয়ে শক্ররউপর গোলাবর্ষণ অব্যাহত রাখেন, যার ফলে শক্রপক্ষের ২টি লঞ্চ ও ১টি স্পীডবোটপানিতে ডুবে যায় এবং প্রায় ২ প্লাটুন শক্র সৈন্য মারা যায়। ইঠাৎ করেই শক্রপক্ষের মর্টারের একটি গোলা তার অবস্থানে আঘাত হানলে তিনি শাহাদত বরণ করেন।